ক্লিক করুন এখানে

শিশুর প্রথম কথা বলা । when do babies say their first word

বাবা মা’র কাছে খুবই আকাংখিত একটি সময় যখন তাঁর বাচ্চা ভাঙ্গা ভাঙ্গা বা ছোট ছোট শব্দ বলা শিখতে শুরু করে।সাধারণ নিয়মে শিশুর বছর বয়সের মধ্যে (when do babies say their first word) শিশু দুএকটি শব্দ বলা শেখে। ১৮ মাস থেকে বছর বয়সের মধ্যে টি শব্দ মিলিয়ে কথা বলে এবং বছরের মধ্যে শব্দের বাক্য বলতে পারে

 

কেন দেরীতে কথা বলেঃ

  মস্তিষ্কের জন্মগত কোন সমস্যা

২।  জিহবার কোন সমস্যা।। 

৩। প্রসবের পর স্বল্পকালীন কিছু অসুখ যেমন - জ্বর, খিঁচুনি, জীবাণু সংক্রমণ ইত্যাদি।

৪। সঠিক সময়ের আগেই জন্মগ্রহণ করা বা কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করা

৫। বাচ্চার মানসিক প্রতিবন্ধকতা থাকলে।

৬। দীর্ঘমেয়াদে কানের সংক্রমণের কারনে যদি শিশুর বছর বয়সের মধ্যে তার কানের ভেতরে তরল জমা থাকে তাহলে তার শব্দ শুনতে সমস্যা হবে এবং সে দেরীতে কথা বলা শুরু করবে

৭। শিশুদের খাওয়ানোর কাজটা সহজ করতে অনেককে মোবাইল, ট্যাব হাতে তুলে দেন। এতে তার কথা বলার সুযোগ কমে যায় ও অনেক সময় দেরীতে কথা বলা শুরু করে।  

 

         

আপনার করনীয়ঃ  

১।শিশুর সামনে কথা বলুন এমন ভাবে যাতে সে বুঝতে পারে, তাকে আপনার সাথে কথা বলতে উৎসাহিত করুন

২। দুটি খেলনা টেলিফোন কিনে তার সাথে খেলার ছলে কথা বলুন, তবে সে কথা বলতে আগ্রহী হবে

৩। শিশুকে এমন প্রশ্ন করুন যার উত্তর সে ছোট ছোট শব্দ বা বাক্য দিয়ে দিতে পারে। 

৪। গান শুনিয়ে ঘুম পাড়ান। ছন্দোবদ্ধ ছড়া-কবিতা ও শোনাতে পারেন। এ প্রক্রিয়া ও শিশুকে কথা বলতে সাহায্য করবে।  

৫। শিশু ভুল উচ্চারণ করলে তাকে বার বার শুধরে দিন। 

৬। শিশুরা বেশী শেখে  খেলতে খেলতে। তাকে চিনিয়ে দেন কোন খেলনার কি নাম, কি রঙ ইত্যাদি।। বার বার মনে করিয়ে দিন। এক সময় সে ও মুখ দিয়ে বলে উঠবে। 

৭। মা-বাবা যতটা সম্ভব শিশুর সাথে সুন্দর সময় কাটান। সে যেন হীনমন্যতায় না ভোগে বা নিজেকে অসহায় না ভাবে ।

 

কি করবেন নাঃ 

  শিশুকে টিভি দেখতে বসিয়ে দেবেন না

২। শিশুর সামনে তর্ক বা ঝগড়া করবেন না।

 

জেনে রাখুনঃ  

১। ছেলে শিশুদের তুলনায় মেয়ে শিশুরা দ্রুত কথা বলতে শেখে।১৮ থেকে ২০ মাস পার    হওয়ার পর কোন শিশু যদি দিনে ৮-১০টির কম শব্দ বলে অথবা ২১ থেকে ৩০ মাস পার ও দিনে ৪৫-৫০টিরও কম শব্দ ব্যবহার করে, তাহলে তাদের ‘লেইট টকিং চিলড্রেন’ (Late Talking Children) বলা হয়। 

২। একেক বাচ্চার বিকাশের ধরন একেক রকম। তাই সহজে হতাশ হবেন না কিংবা সন্তানের ওপর কোনো ধরনের চাপ দেবেন না। 

৩। প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার বা শারীরিক গঠনের নির্দিষ্ট সময় থাকে। যেমন- একটি নির্দিষ্ট বয়সে শিশুরা উপুড় হয়,বসা শেখে, হামাগুড়ি দেয়,কথা বলা শুরু করে। এই প্রক্রিয়া সব শিশুর একই সময়ে শুরু নাও হতে পারে।

 

কখন ডাক্তার দেখাবেনঃ 

১। যদি আপনার সন্তানের কথা বলায় কোনো ধরনের সমস্যা (বিশেষ করে তোতলানো, stammering) চোখে পড়ে তবে দেরি না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

২।শিশুর দুই বছর পার হবার পরেও কথা না বলে ।

৩। শিশুর  বছর বয়সেও যদি তার উচ্চারণ অন্যরা বুঝতে না পারে

 

 চিকিৎসা পদ্ধতিঃ  

স্পিচথেরাপি(speech therapy)  হচ্ছে বিশেষ এক ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থাযার সাহায্যে 

জিহ্বায় আটকানোতোতলামি (stammering)শিশুদের দেরিতে কথা বলা (late talking)কানে কম শোনাজনিত কথা বলার সমস্যাকে অনেকটাই নিরাময় সম্ভব তবে 

এটি ধৈর্য নিয়ে করতে হবে

 

কোথায় করবেন:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউস্পিচ থেরাপি (speech 

therapy) সেন্টার আছে

২। মীরপুরে “সিআরপি”।

৩। ঢাকা সেনানিবাসে 'প্রয়াস' নামক একটি বিশেষায়িত স্কুল আছে। 







কোন মন্তব্য নেই

If you have any doubts please let me know

Blogger দ্বারা পরিচালিত.