ক্লিক করুন এখানে

বাচ্চার কানে ব্যথা | baby ear infection

বিভিন্ন কারণেই কানে ব্যথা হতে পারে। তাই ব্যথার কারণ জেনে নিয়ে তবেই চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

ব্যথার কারণ

কানে ব্যথা, কান ভারি লাগা বা কানের সমস্যার পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে সংক্রমণ। শুধু শীতকালে নয়, সারা বছরই কানে ইনফেকশন ( baby ear infection) পারে। তবে কেন এ সংক্রমণ হয় এবং কীভাবে এটি রোধ করা সম্ভব, তা আগে থেকে জেনে রাখা ভালো।

কান ব্যথা হওয়ার কারণগুলি হল;

 

১ সাইনাস

২ কানের জমে থাকা খৈল ।

দাঁতের কোন অসুখ, ক্যাভিটি বা দাঁত ওঠা

 কোনও কারণে কানের পর্দায় আঘাত

শিশুদের কানের ইউস্টেশিয়ান টিউব যদি কোনও কারণে তরলে ভর্তি হয়ে গেলে

কানের চামড়ার একজিমার সংক্রমণ

৭ দাঁত খাঁজে খাঁজে না বসা ইত্যাদি।

৮ মুখের ভেতরকার ঘা।

জিহ্বার ক্যানসার।

১০ টনসিলের সমস্যা।

  

কিভাবে বুঝবেন বাচ্চার কানে ব্যথাঃ

 

ঘুমোতে পারছে না

  খেতে চায় না

 কান থেকে তরল জাতীয় কিছু বেরিয়ে আসা

  বার বার কানে হাত দিচ্ছে।

শিশু অস্থির হয়ে পড়ছে

  ব্যথার কারণে কাঁদছে।

৭ জ্বর এসেছে

 




 ব্যথার উপশমে কিছু ঘরোয়া টিপসঃ

 

রসুন-সেঁকঃ ৩-৪ টি রসুনের টুকরা লবন পানিতে সিদ্ধ করে নিন। এবার কোয়া গুলো ছোট ছোট টুকরা করে একটি কাপড়ে মুড়ে শিশুর কানে আলতো ভাবে চেপে রাখুন। রসুনের ব্যাকটেরিয়া নাশক ধর্ম কানের ব্যথায় অনেকটা আরাম দেবে।

 

কান ধরে হালকা টানঃ বাচ্চার কানের মধ্যে ইউস্টেশিয়ান টিউব কোনও কারণে তরল পূর্ণ হয়ে গেলে শিশুর কানে ব্যথা হতে পারে। শিশুর কান ধরে হাল্কা করলে কানের ব্যথা কমতে পারে

 

গরম সেঁকঃ লবন একটু সিদ্ধ করে কাপড়ের পোটলাতে নিয়ে শিশুর কানে সেঁক দিন। সেঁক যেন বেশী গরম না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন

 

ইউক্যালিপটাস তেল ও ভিক্সঃ এটি বড় বাচ্চার জন্য। একটা পাত্রে পানি ফুটিয়ে এতে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল আর  চা চামচ ভিক্স মেশান। এখন ঐ মিশ্রনের ভাপ নাক দিয়ে নিতে বলুন বাচ্চাকে। এতে কানের ভিতর বায়ুচাপ কম হয়,ব্যথা কমে এবং কানের মধ্যে জমা তরল বেরিয়ে আসে

 

নাক পরিষ্কার করাঃ বাচ্চার সর্দি থাকলে নাক পরিষ্কার করে দিন সাবধানে। বাচ্চার শোয়ানোর ক্ষেত্রে যে কানে ব্যথা, সেই কান ওপর দিকে রাখতে হবে। বাচ্চার নাকের আঘাতের ব্যাপারে জানতে ক্লিক করুন এখানে ।

 

সতর্কতাঃ

১। কানে যদি পানি ঢুকে,সেই কান পরিষ্কার করার চেষ্টা করবেন না। বরং তোয়াল দিয়ে কানের যতটা সম্ভব মুছে দিন। কিন্তু খোঁচাখোঁচি করবেন না।

২। শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় কানে যেন দুধ না যায়।

৩। কান থেকে যদি পুঁজ, রক্ত বের হলে বা জ্বর আসলে ইনফেকশনের আশংকা (infant ear infection)।  তাই সঙ্গে ডাক্তার দেখান

৪। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বাচ্চাকে কোন ব্যথার  ঔষধ খাওয়াবেন না।  









কোন মন্তব্য নেই

If you have any doubts please let me know

Blogger দ্বারা পরিচালিত.